কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬ এ ১২:৫২ PM
অনুসন্ধান ও তদন্ত - ২ অনুবিভাগ
কন্টেন্ট: পাতা
দুর্নীতি দমন কমিশন তার সামগ্রিক কার্যক্রম ০৮(আট)টি অনুবিভাগের মাধ্যমে পরিচালনা করে। তন্মধ্যে, অনুসন্ধান ও তদন্ত-২ একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুবিভাগ। এই অনুবিভাগের আওতাধীন খুলনা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও বরিশাল মোট = ০৪ টি বিভাগীয় কার্যালয় ও ১৭ টি সমন্বিত জেলা কার্যালয় এর কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।দুর্নীতির অপরাধসমূহের বিচার কার্য প্রধানত নির্ভর করে অনুসন্ধানের উপর। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ অনুসন্ধান সম্পর্কে দুদককে বিশেষ ক্ষমতা অর্পণ করেছে (ধারা ১৯ ও ২০)। সেজন্য, অনুসন্ধান সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কাজ করার জন্য দুদকের এই অনুবিভাগটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট মহাপরিচালকের নেতৃত্বে এই অনুবিভাগ টি নিম্নোক্ত বিষয়ের উপর তদন্ত ও অনুসন্ধানের দায়িত্বপ্রাপ্ত:
- ভূমি, ভূমি রাজস্ব ও বন্ধক;
- ঘুষ (অর্থ, সম্পদ ও পরিষেবা);
- স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি অবৈধ উপায়ে অর্জন;
- নির্মাণ কাজ ও যোগাযোগ খাতের দুর্নীতি ;
- উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন ও বেসরকারি সংস্থার দুর্নীতি;
- শুল্ক ও রাজস্ব, ব্যবসায়ী/ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহ;
- সরকারি ক্রয়/বিক্রয়, লাইসেন্স ইস্যু করা;
- শপথ ভঙ্গ ও ক্ষমতার অপব্যবহার শীর্ষক অপরাধ; এবং
- অন্যান্য, যেমন, দুদক আইন, ২০০৪-এর তফসিলে উল্লিখিত অপরাধসমূহ।
অভিযোগ প্রাপ্তির পর কমিশন নিম্নের বিষয়গুলো বিবেচনা নিয়ে থাকে:
- অভিযোগটি কমিশনের তফসিলভূক্ত অপরাধ কি-না;
- অভিযোগটি সুনির্দিষ্ট ও তথ্যভিত্তিক কি-না;
- অপরাধ সংঘটনের সময়কাল উল্লেখ করা হয়েছে কি-না;
- অভিযুক্ত ব্যক্তির অভিযোগের সাথে সংশ্লিষ্টতা;
- অভিযুক্ত ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গের পূর্নাংগ ঠিকানা উল্লেখ আছে কি-না;
- অভিযোগের গুরুত্ব ও মাত্রা;
- অভিযোগের আর্থিক সংশ্লেষের পরিমাণ;
- অভিযোগকারীর নাম ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকনা উল্লেখ আছে কি-না;
- অন্যান্য প্রাসঙ্গিক আইন পর্যালোচনা করে দেখা হয় যাতে অভিযোগটি আদালতে প্রমাণযোগ্য কি-না;
Email: dg.investigation2@acc.org

