কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬ এ ০১:৫৩ PM

অনুসন্ধান ও তদন্ত - ১ অনুবিভাগ

কন্টেন্ট: পাতা

দুর্নীতি দমন কমিশন তার সামগ্রিক কার্যক্রম ০৮(আট)টি অনুবিভাগের মাধ্যমে পরিচালনা করে।এর মধ্যে অনুসন্ধান ও তদন্ত-১ একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ অনুবিভাগ। এই অনুবিভাগের অধীনে ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ মোট = ০৪ টি বিভাগীয় কার্যালয় ও ১৯টি সমন্বিত জেলা কার্যালয় এর কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।দুর্নীতির অপরাধসমূহের বিচার কার্য প্রধানত নির্ভর করে অনুসন্ধানের উপর। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ অনুসন্ধান সম্পর্কে দুদককে বিশেষ ক্ষমতা অর্পণ করেছে (ধারা ১৯ ও ২০)। সেজন্য, অনুসন্ধান সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কাজ করার জন্য দুদকের এই অনুবিভাগটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট মহাপরিচালকের নেতৃত্বে এই অনুবিভাগ টি নিম্নোক্ত বিষয়ের উপর তদন্ত ও অনুসন্ধানের দায়িত্বপ্রাপ্ত:

  • ভূমি, ভূমি রাজস্ব ও বন্ধক;
  • ঘুষ (অর্থ, সম্পদ ও পরিষেবা);
  • স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি অবৈধ উপায়ে অর্জন;
  • নির্মাণ কাজ ও যোগাযোগ খাতের দুর্নীতি ;
  • উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন ও বেসরকারি সংস্থার দুর্নীতি;
  • শুল্ক ও রাজস্ব, ব্যবসায়ী/ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহ;
  • সরকারি ক্রয়/বিক্রয়, লাইসেন্স ইস্যু করা;
  • শপথ ভঙ্গ ও ক্ষমতার অপব্যবহার শীর্ষক অপরাধ; এবং
  • অন্যান্য, যেমন, দুদক আইন, ২০০৪-এর তফসিলে উল্লিখিত অপরাধসমূহ।

অভিযোগ প্রাপ্তির পর কমিশন নিম্নের বিষয়গুলো বিবেচনা নিয়ে থাকে:

  • অভিযোগটি কমিশনের তফসিলভূক্ত অপরাধ কি-না;
  • অভিযোগটি সুনির্দিষ্ট ও তথ্যভিত্তিক কি-না;
  • অপরাধ সংঘটনের সময়কাল উল্লেখ করা হয়েছে কি-না;
  • অভিযুক্ত ব্যক্তির অভিযোগের সাথে সংশ্লিষ্টতা;
  • অভিযুক্ত ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গের পূর্নাংগ ঠিকানা উল্লেখ আছে কি-না;
  • অভিযোগের গুরুত্ব ও মাত্রা;
  • অভিযোগের আর্থিক সংশ্লেষের পরিমাণ;
  • অভিযোগকারীর নাম ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকনা উল্লেখ আছে কি-না;
  • অন্যান্য প্রাসঙ্গিক আইন পর্যালোচনা করে দেখা হয় যাতে অভিযোগটি আদালতে প্রমাণযোগ্য কি-না;

Email: dg.investigation1@acc.org

দুর্নীতি দমন কমিশনের সংশোধিত সাংগঠনিক কাঠামো

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন