মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৭ August ২০১৮

প্রশাসন, সংস্থাপন ও অর্থ

মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন

মানবসম্পদ হচ্ছে যে কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রাণ। দুর্নীতি দমন কমিশন মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, তাদের সক্ষমতার উন্নয়ন, কর্ম্পরিবেশের উন্নয়ন, নিরাপত্তা এবং নৈতিকতার কালোত্তীর্ণ মানদন্ড রক্ষার সকল কার্যক্রম প্রশাসন অনুবিভাগের মাধ্যমে সম্পুন করে থাকে। কমিশন তার মানবসম্পদ উন্নয়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। কমিশন মনে করে কর্মকর্তাদের দক্ষতা, ক্ষিপ্রতা, মননশীলতা এবং চারিত্রিক দৃড়তা উন্নয়নে দেশ-বিদেশে প্রশিক্ষণ অতীব গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান বিশ্বে সাইবার ক্রাইম, অর্থ পাচারসহ নতুন নতুন দুর্নীতি সংক্রান্ত অপরাধ দমনে কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। কারণ সময়ের সাথে সাথে দুর্নীতির প্রকৃতি, উদ্দেশ্য ক্রমাগত পরিবর্তন হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে দুর্নীতি দমন কমিশন পাঁচ বছর মেয়াদি যে কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে তার আলোকে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং এর উন্নয়নে পরিকল্পিতভাবেই বহুমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

কমিশনের মানব ও আর্থিক সম্পদ ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করে প্রশাসন অনুবিভাগ দু’টি শাখায় বিভক্ত-

  • প্রশাসন ও সংস্থাপন এবং
  • অর্থ ও হিসাব

 

প্রশাসন, সংস্থাপন এবং অর্থ অনুবিভাগের আওতাধীন বিষয়সমূহ হচ্ছেঃ

১। কমিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ, পদোন্নতি, পদায়ন, প্রেষণ ও ভ্রমণ ব্যবস্থাপনা;

২। আইন অনুযায়ী দুদক কর্মকর্তা/কর্মচারীর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত বিভাগীয় মামলা নিষ্পত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং তাদের চাকুরির অবস্থা ও অন্যান্য বিষয়;

৩। দেশে-বিদেশে প্রশিক্ষণের জন্য কর্মকর্তা/কর্মচারী মনোনয়ন প্রস্তাব পেশ

৪। কমিশনের বৈঠকের প্রাক্কালে কমিশনের সচিবকে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা প্রদান;

৫। অধীন কার্যালয়সমূহ বছরে কমপক্ষে দ’বার পরিদর্শন করা এবং কমিশন সচিবের নিকট প্রতিবেদন পেশ;

৬। কমিশনের সার্বিক নিরাপত্তা তত্ত্বাবধান করা, গুদাম, আসবাবপ্ত্র ও অবকাঠামো রক্ষাণাবেক্ষণ ও সরবরাহ;

৭। কমিশনের সকল শাখার জন্য প্রয়োজনীয় লজিস্টিকস সংগ্রহ, রক্ষণাবেক্ষণ ও সরবরাহ;

৮। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ ও বাস্তবায়্ন;

৯। কমিশন কার্যালয়ের কর্মপরিবেশের উন্নয়ন ইত্যাদি;

 

প্রশাসন অনুবিভাগের পদক্ষেপ:

১। সংশোধিত সাংগঠনিক কাঠামো প্রণয়ন

২। নতুন জনবল নিয়োগ

৩। প্রশিক্ষণ

৪। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার

            (ক) দুদক অভিযোগ কেন্দ্র (হটলাইন ১০৬)

            (খ) ই-নথি চালু

            (গ) ই-জিপির মাধ্যমে ক্রয়

৫। সশস্ত্র ইউনিট

৬। হাজতখানা স্থাপন

৭। আর্কাইভ তৈরি

৮। রেকর্ড রুম স্থাপন

৯। ইন্টেলিজেন্স ইউনিট গঠনর্মবন্টন নির্দেশিকা প্রণয়ন

১১। কমিশনের “রাঙ্গামাটি, কুষ্টিয়া ও ময়মনসিংহ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের জন্য অফিস ভবন নির্মাণ” শীর্ষক ১৮৮২.৯২ লক্ষ টাকা ব্যে একটি প্রকল্প প্রাক্কলিত ব্যয়ে জুলাই, ২০১৬ হতে জুল ২০১৯ মেয়াদে বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

 

সদর দপ্তর ও মাঠ পর্যায়ের কার্যালয়ে মানবসম্পদ বন্টন

কমিশনের বিদ্যমান জনবল কাঠামো অনুযায়ী প্রধান কার্যালয়, ৬টি বিভাগীয় কার্যালয় এবং ২২ টি সমন্বিত জেলা কার্যালইয়ের ১০৭৩ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর (সুপার নিউমারারি পদসহ ১২৬৪ জন) জন্য সরকার অনুমোদিত একটি সাংগঠনিক কাঠামো রয়েছে, দুদকের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয়র ও সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মানব সম্পদ বন্টন তালিকা নিচের তালিকাতে দেখানো হয়েছে।

 

তালিকা:  দুদকের মানব সম্পদ বন্টন (সুপার নিউমারারি পদসহ)

ক্রমিক নম্বর

পদের বিবরণী

সদর দপ্তরের সংখ্যা

মাঠ পর্যায়ের সংখ্যা

সর্বমোট

বিভাগীয় কার্যালয়

সমন্বিত কার্যালয়

 

চেয়ারম্যান

 

কমিশনার

 

সচিব

 

মহাপরিচালক

 

পরিচালক

১৩

১৯

 

সিস্টেম এনালিস্ট

 

উপপরিচালক

৫৯

২২

৮১

 

প্রসিকিউটর

১০

১০

 

প্রোগ্রামার

 

একান্ত সচিব

 

সহকারী পরিচালক

৬৮

৬৫

১৩৩

 

জনসংযোগ কর্মকর্তা

 

উপসহকারী পরিচালক

৫২

৭২

১২৪

 

সরকারী পরিদর্শক

১৩০

১৩০

 

আদালত পরিদর্শক/আদালত সহকারী/এএসআই

০৪

-

৭২

৭৬

 

অন্যান্য কর্মকর্তা ও স্টাফ (করণিক, টাইপিস্ট প্রভৃতি)

১৫১

৪২

৬৬

১৫৯

 

গাড়িচালক

৩১

২২

৫৯

 

কনস্টেবল

১৫৯

১২

১৯৫

৩৬৬

 

সর্বমোট

৫৬৪

৬৬

৬৪৪

১২৬৪

 

কমিশনের সার্বিক প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম কমিশনে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণের নিয়োগ, বদলি, তাদের কল্যাণ এবং চাকুরি বিধি মোতাবেক নিয়ম শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজের জন্য বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণসহ অন্যান্য আনুসাংঙ্গিক কাজ এই অনুবিভাগের মাধ্যমে সম্পাদন করা হয়ে থাকে। 

 

দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সক্ষমতা বৃদ্ধিকল্পে গৃহীত পদক্ষেপ

দেশের অর্থনৈতিক ও অবকাঠামো উন্নয়ন, দারিদ্র হ্রাস, কর্মসংস্থান এবং নৈতিকতার বিকাশে প্রধান অন্তরায় দুর্নীতি, যা’ রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রতি জনআস্থা কমিয়ে দেয়। বাংলাদেশ বিশ্বে উন্ন্যনের রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, এক্ষেত্রে বড় অর্জন হলো গ্রাম ও শহরের সুষম উন্নয়ন। তবে এই উন্নয়নের অন্যতম চ্যালেঞ্জ দুর্নীতি নামন ফৌজদারি অপরাধ।

 

তাই কমিশনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, কার্যকর এবং দৃশ্যমান করার লক্ষে, কমিশন নিজস্ব জনবলের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সচেষ্ট রয়েছে। ২০১৭ সালে কমিশনের কর্মপরিবেশের আধুনিকায়নের পাশাপাশি কর্মকর্তা/কর্মচারীদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্যে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ইত্যাদি আয়োজনের ক্ষেত্রে কমিশন বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে।

 

২০১৭ সালে কমিশনের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এবং দেশী-বিদেশী বিভিন্ন সংস্থার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় রিফ্রেসার্স প্রশিক্ষণ কোর্স, অনুসন্ধান ও তদন্ত পদ্ধতিঃ ভূমি অধিগ্রহণে দুর্নীতি, বিসিএস প্রশাসন একাডেমির আইন ও প্রশাসন কোর্স, নাগরিক সেবায় উদ্ভাবনী, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিষয়ক কোর্স, তদন্ত-অনুসন্ধান বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন, ফাইন্যান্সিয়াল এন্ড ইকোনমিক অ্যাপ্রেইজাল অব প্রজেক্ট, ইনভেস্টীগেশন এন্ড প্রসিকিউটিং অব ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম, বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি, ব্যাংকিং কার্যক্রমের উপর প্রশিক্ষণ, সিনিয়র সিকিউরিটি কোর্স, ই-ফাইলিং বিষয়ক কোর্স, সার্ভেইলেন্স কোর্স-২০১৭, অপরচ্যুনেটিস এন্ড চ্যালেঞ্জেস অব বাংলাদেশ টু আর্ন মিডেল ইনকাম স্ট্যাটাস, দুর্নীতি সমন কমিশনের কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ কোর্স (টিআইবি)সহ বিভিন্ন কোর্সে প্রায় ১৩৭৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে ১৭ জন বিদেশে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন।

 

এডিবির সহায়তায় Supporting the Good Governance Programme এর আওতায় কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে কনফারেন্স রুমটি আধুনিকায়ন এবং একটি কমপিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। উক্ত ল্যাবের জন্য এডিবি ১৮টি কমপিউটারসহ অন্যান্য সরঞ্জামাদি সরবরাহ করেছে। যেখানে কমিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কমপিউটার বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। 

 

দুর্নীতি সংক্রান্ত অভিযোগ জনগণ যাতে সহজে দাখিল করতে পারে সেজন্য ২২টি সজেকা ছাড়াও দেশের সকল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ‘‘অভিযোগ গ্রহণ বাক্স’’ স্থাপন করা হয়েছে।

 

কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে আগত দর্শনার্থী ও গণমাধ্যম কর্মীদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে দর্শনার্থী কার্ড চালু এবং প্রধান কার্যালয়ের মিডিয়া সেন্টারে গণমাধ্যমের কর্মীদের সুবিধার্থে ইন্টারনেট সংযোগসহ রঙ্গীন টেলিভিশন প্রদান করা হয়েছে।

 

কমিশনের বাজেট ব্যবস্থাপনা

অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের ন্যায় সংবিধিবদ্ধ সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশনের বাজেটও চার্জড বাজেটের অন্তর্ভূক্ত। কমিশন বাৎসরিক যৌক্তিক চাহিদা নিরূপন করে সরকারের নিকট বাজেট বরাদ্দ চেয়ে থাকে এবং কমিশনের চাহিদা মোতাবেক সরকারের বাজেট বরাদ্দের মাধ্যমে অর্থায়ন করে থাকে। সরকার একটি নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ কমিশনের ব্যয়ের জন্য বরাদ্দ করে। বাজেট অনুমোদন হলে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে কম্পট্রোলার ও অডিটর জেনারেল কর্তৃক দুদক হিসাব প্রাক-নিরীক্ষণ ছাড়া সরকারের কাছ থেকে কমিশনের কোনো পূর্বানুমতির প্রয়োজন হয় না। প্রশাসন অনুবিভাগ অর্থায়ন ও আভ্যন্তরীণ নিরীক্ষার কাজ তত্ত্বাবধান করে এবং সরকারি ক্রয়নীতির আওতায় ক্রয় পরিচালনা করে। উল্লেখ্য, বর্তমানে কমিশনের সকল ক্রয় কার্যক্রম ই-টেন্ডারিং প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন করা হচ্ছে।

 

২০১৬-১৭ অর্থ বছরে বরাদ্দ (অনুন্নয়ন ও উন্নয়ন) নিম্নে দেখানো হলো:

 

২০১৬-১৭ অর্থবছরে দুদকের জন্যে করা বরাদ্দ (হাজার টাকায়)

অর্থ বছর

অনুন্নয়ন

উন্নয়ন

মোট

রাজস্ব

মূলধনী

২০১৬-২০১৭

বাজেট

৭৭,০৮,০০

৯,৬০,০০

৮৬,৬৮,০০

৭৪,৫৮,০০

১২,১০,০০

 

২০১৬-১৭ অর্থ বছরের রাজস্ব ও মূলধনী ব্যয়ের অর্থনৈতিক শ্রেণীকরণ (হাজার টাকায়)

বিবরণ

২০১৬-১৭

 

অর্থনৈরিক কোড ও খাত

বরাদ্দ

         ব্যয়

রাজস্ব ব্যয়

৪৫০১ – অফিসারদের বেতন

৪৬০১ - প্রতিষ্ঠান কর্মচারীদের বেতন

৪৭০০ - ভাতাদি

৪৮০০ - সরবরাহ ও সেবা

৪৯০০ - মেরামত ও সংরক্ষণ

৬৩০০ –অবসর ভাতা ও আনুতোষিক

৬৬৮১ – থোক বরাদ্দ

 

১৬,৫০,০০

১১,০০,০০

২০,৭২,০০

২২,৩০,৩৫

৯৫,৩০

০০

৩,১০,০০

১৫,৮৪,১৪

১১,৭২,৫৯

২০,০০,৮১

২১,৭৯,৬৭

৬৯,৮৫

০০

২,৮৪,৭৫

মোট রাজস্ব ব্যয়

 

৭৪,৫৮,০০

৭২,৯১,৮১

মূলধনী ব্যয়

৬৮০০ – সম্পদ সংগ্রহ/ক্রয়

৭০০০ – নির্মান ও পূর্ত

৭৪০০ – সরকারি কর্মচারীদের জন্য ঋণ ও অগ্রিম

১১,৮২,০০

৩,০০

২৫,০০

৮,২৩,২৩

৩০০

০০

মোট মূলধনী ব্যয়

 

১২,১০,০০

৮,২৬,২৩

দুদকের সর্বমোট ব্যয়

 

৮৬,৬৮,০০

৮১,১৮,০৪

 

কমিশনের প্রকৃত ব্যয়ের চিত্র

 

 

দুদকের আভ্যন্তরীণ দুর্নীতি প্রতিরোধে গৃহীত কার্যক্রম

দুর্নীতি দমন কমিশন আভ্যন্তরীণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকল্পে দুদক বিধি ২০০৭-এর ১৯(১)-এর অধীনে কর্মকর্তাদের নিরবচ্ছিন্নভাবে পরিবীক্ষণ, তত্ত্বাবধান, অনুসন্ধান, দুদক কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বিরুদ্ধে যে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করা এবং দুর্নীতিগ্রস্থ কর্মীর বিরুদ্ধে আইনি ও বিভাগীয় পদক্ষেপ নিতে পরমর্শদানের জন্যে কমিশনের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে একটি স্থায়ী অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি দমন কমিটি রয়েছে। ২০১৭ সালে এই কমিটি একাধিক বৈঠক করেছে। এছাড়া কমিশনের চেয়ারম্যানের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পর্যবেক্ষন ও মূল্যায়ন শাখার মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকল কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়।

 

২০১৭ সালে কমিশনের ১ জন কর্মকর্তা/কর্মচারীকে গুরুদন্ড ও ২ জন কর্মচারীকে লঘুদন্ড প্রদান করা হয়েছে। ২০১৭ সালে দুদক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়েরের সংখ্যা এবং মামালয়ার ফলাফল নিচে প্রদান করা হয়েছে।

 

২০১৭ সালে দুদকের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বিরুদ্ধে নেওয়া বিভাগীয় পদক্ষেপসমূহ

বিবরণ

সংখ্যা

পূর্ববর্তা বছরের জের

১০

২০১৭ সালে গৃহীত

১৫

২০১৭ সালে মোট বিভাগীয় মামলার সংখ্যা

২৫

২০১৭ সালে নিষ্পত্তিকৃত মামলার সংখ্যা

১৩

কঠোর সাজা

০১

স্বল্প মাত্রার সাজা

০২

অন্যান্যভাবে নিষ্পত্তি

১০

 

১. কঠোর সাজার মধ্যে রয়েছে চাকুরি থেকে অপসারণ, বাধ্যতামূলক অবসর, বেতনক্রমের নিম্নস্তরে অবনতকরণ ইত্যাদি।

২. স্বল্পমাত্রার সাজার মধ্যে রয়েছে তিরস্কার, পদোন্নতি বা বেতন বৃধি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থগিত রাখা ইত্যাদি।

 

Email: dg.admin@acc.org.bd


Share with :

Facebook Facebook