মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৬ August ২০১৮

কমিশনের তথ্য ব্যবস্থাপনা

 

দুদক ও তথ্য অধিকার আইন

তথ্যই শক্তি। কমিশন জনগণের ক্ষমতায়নে অবাধ তথ্য প্রবাহে বিশ্বাশী। মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতা নাগরিকগণের অন্যতম মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত এবং তথ্য প্রাপ্তির অধিকার চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতা অবিচ্ছেদ্য অংশ। দুদক জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিতকরণের নিমিত্তে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। কমিশন তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এর আলোকে প্রণীত তথ্য অবমুক্তকরণ নীতিমালা, ২০১১ অনুসরণপূর্বক নাগরিকগণের চাহিদা মোতাবেক তথ্য সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে। কমিশন কর্তৃক প্রণীত তথ্য অবমুক্তকরণ নীতিমালা-২০১১ অনুসারে কমিশনের গঠন কাঠামো এবং কার্যক্রম নিয়ে প্রকাশিত কোনো স্মারক, বই, তথ্য-উপাত্ত, লগ বই, আদেশ, বিজ্ঞপ্তি, দলিল, নমুনা, চিঠি, প্রতিবেদন, আর্থিক বিবরণী, প্রকল্প প্রস্তাব, অডিও, ভিডিও ইত্যাদিকে নীতিমালায় ‘তথ্য’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। তবে, দাপ্তরিক নোট সিট এবং নোট সিটের প্রতিলিপিকে তথ্য হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি।

 

কমিশনের তথ্যকে এই নীতিমালায় চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে:

ক) স্বতঃফূর্ত তথ্য (কমিশন স্বতঃফূর্তভাবে এসব তথ্য প্রকাশ করবে);

খ) চাহিদা অনুযায়ী তথ্য সরবরাহ;

গ) চাহিদা অনুযায়ী আংশিক তথ্য সরবরাহ; এবং

ঘ) অন্যান্য তথ্য, যা প্রকাশ বা প্রদান করা বাধ্যতামূলক নয়।

 

কমিশন এর কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা, সততা ও উত্তম চর্চার বিকাশে প্রণীত সকল নীতিমালা, দুর্নীতি প্রতিরোধে গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমসহ সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনার ভিত্তিতে সকল প্রকার তথ্যই জনগণের অবগতির জন্য প্রকাশ ও প্রচার করে যাচ্ছে।

তথ্য অধিকার আইন অনুসারে কমিশনের সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা, ৬টি বিভাগীয় পরিচালকের কার্যালয়ের স্ব-স্ব অধিক্ষেত্রের পরিচালকগণ এবং ২২টি সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের স্ব-স্ব অধিক্ষেত্রের উপপরিচালকগণ নাগরিকের অনুরোধের ধরন অনুযায়ী তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত রয়েছেন। যে কোনো নাগরিক তথ্য অধিকার আইন অনুসারে প্রণীত নির্দিষ্ট ফরমেটে বা সাদা কাগজে কমিশনের কাছে তথ্যের জন্য আবেদন করতে পারেন এবং আবেদন পেশের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুরোধের উত্তর দিতে হবে। বৈধ কারণ ছাড়া তথ্য প্রদান না করা হলে তা অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে এবং সংশিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (কর্মচারী) চাকুরি বিধিমালা, ২০০৮ অনুসারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ অবগত রয়েছেন। তথ্য প্রদানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এর উপর বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত।

২০১৭ সালে যে সকল নাগরিক তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ অনুসারে তথ্য চেয়েছেন, কমিশন তাদের প্রত্যককে তথ্য প্রদান করেছে। ২০১৭ সালে কমিশনে মোট ১৭ জন নাগরিক তথ্য অধিকার আইনে তথ্য চেয়ে আবেদন করেন। উল্লেখ্য যে, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৭ পর্যন্ত একটি আবেদন প্রক্রিয়াধীন থাকায় অন্য ১৬ টি আবেদনের তথ্য সংশ্লিষ্ট নাগরিকগণকে সরবরাহ করা হয়েছে।

 

২০১৪, ২০১৫, ২০১৬ ও ২০১৭ সালে কমিশনে তথ্য প্রাপ্তির আবেদন এবং প্রাপ্তির পরিসংখ্যান নিম্নে দেওয়া হলো:

সাল

তথ্য প্রাপ্তির জন্য আবেদন সংখ্যা

তথ্য প্রদানের সংখ্যা

২০১৪

০৬

০৬

২০১৫

১২

১২

২০১৬

১৮

১৭

২০১৭

১৭

১৬

 

 

২০১৪, ২০১৫, ২০১৬ ও ২০১৭ সালে কমিশনে তথ্য প্রাপ্তির আবেদন ও তথ্য প্রদানের চিত্র

 


Share with :

Facebook Facebook