Protest Note

.

Share/Save

                                                দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                  প্রধান কার্যালয়
                                                       ঢাকা

স্মারক নং-জনসংযোগ/                                                         তারিখ : ২৭/ ১১/২০১৪ খ্রিঃ

বিষয় ঃ     প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ।

    আপনার বহুল প্রচারিত যুগান্তর পত্রিকায় ২৬/১১/২০১৪ খ্রিঃ তারিখের বর্ষ-১৫, সংখ্যা-২৮৯ এর ২০ পৃষ্ঠায় “ভাড়া খাটল দুদক!” শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। প্রতিবেদনের এক অংশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, “তদন্ত পর্যায়ে আসামী গ্রেফতার। দুদফা ১২ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ। হাজতে পাঠানো। অত:পর আসামির কাছ থেকে ৫০ কোটি টাকা আদায়ের চুক্তি। শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক মোহাম্মদ সোলায়মানের কাছ থেকে অর্থ আদায়ে এভাবেই অনুঘটকের ভূমিকায় অবর্তীণ হয় দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। অভিযোগ উঠেছে, তফসিলভুক্ত দ-বিধির ১০৯ ও ৪০৯ ধারা ব্যবহার করে এভাবেই ভাড়া খেটেছে দুদক।”

এ জাতীয় শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ রাষ্ট্রের একমাত্র দুর্নীতি বিরোধী সংস্থাকে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে। প্রতিবেদনের এ অংশটুকু অসত্য ও প্রতিবেদকের মনগড়া। প্রকৃত সত্য হচ্ছে যে, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ১৪০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত ১৩/৪/২০১৪ খ্রি: তারিখে শাহজালাল ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চট্ট্রগামের কোতয়ালী থানায় একটি মামলা রুজু  করে। যার নম্বর ২৭(৪)১৪। মামলার বাদী শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লি: এর জুবলী রোড শাখা, চট্টগ্রাম এর শাখা ব্যবস্থাপক রাশেদ সরোয়ার। মামলাটি দুর্নীতি দমন কমিশনের তফসিলভূক্ত হওয়ায় উক্ত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলাটি তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে প্রেরণ করেন। মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য গত ০৮/৬/২০১৪ খ্রি: তারিখে কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক এস এম রফিকুল ইসলামকে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। মামলার তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী কর্মকর্তা গত ২৫/৬/২০১৪ তারিখে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি সোলায়মানকে গ্রেফতার করে সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করেন। তদন্তের সার্থে সংশ্লিষ্ট আসামীকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এখানে উল্লেখ্য যে, ইতোপূর্বে তদন্তের স্বার্থে দুর্নীতি দমন কমিশন অনেক ব্যক্তিকেই রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এক্ষেত্রেও তার ব্যত্যয় ঘটেনি। প্রতিবেদনে দুদককে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য যে ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে তার জন্য দুদক ক্ষুব্ধ এবং ব্যথিত।

আসামিকে জামিন প্রদান করা বিজ্ঞ আদালতের এখতিয়ার এবং আসামি জনাব সোলায়মান বিজ্ঞ আদালত হতে জামিন পেয়েছেন। এ প্রক্রিয়ার বাহিরে আসামি জনাব সোলায়মান এর সাথে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কোন ধরনের সমঝোতা হয়েছে কি-না তা মামলার তদন্তকারী বা দুর্নীতি দমন কমিশন অবগত নহে। মামলার তদন্ত বর্তমানে চলমান রয়েছে যথাসময়ে তদন্তকার্য সম্পাদন করা হবে। ব্যাংকের টাকা আত্মসাত একটি গুরুতর অপরাধ। দুদক সর্বদা রাষ্ট্র তথা ব্যাংকিং সেক্টরের স্বার্থ সংরক্ষণের চেষ্টা করে। কোন ব্যক্তি বিশেষের হয়ে দুদক কখনও কোন কাজ করেনা।  

    কমিশনের এই প্রতিবাদলিপি যথাযথ গুরুত্বের সাথে আপনার প্রকাশিত পত্রিকার পরবর্তী সংখ্যায় প্রকাশের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

                                                                        উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা
                                                                               দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                                              প্রধান কার্যালয়, ঢাকা।

১। সম্পাদক
    দৈনিক যুগান্তর
    ২৪৪, প্রগতি সরণী, কুড়িল (বিশ্বরোড)
    বারিধারা, ঢাকা-১২২৯।

২। বার্তা সম্পাদক
    দৈনিক যুগান্তর
    ২৪৪, প্রগতি সরণী, কুড়িল (বিশ্বরোড)
    বারিধারা, ঢাকা-১২২৯।    (প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য)
 

                                                 দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                   প্রধান কার্যালয়
                                                       ঢাকা

স্মারক নং-জনসংযোগ/                                                                  তারিখ : ২২/ ১০/২০১৪ খ্রিঃ

বিষয় :    প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ।

    আপনার বহুল প্রচারিত ইত্তেফাক পত্রিকায় ২১/১০/২০১৪ খ্রিঃ তারিখের বর্ষ-৬১, সংখ্যা-২৯২ এর প্রথম পাতায় “আরো চার সচিবের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান” শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মুক্তিযোদ্ধা সনদ জালিয়াতির অভিযোগে আরো চার সচিবসহ সাত জনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই সাতজনের মধ্যে চারজন সচিব, দুইজন যুগ্ম-সচিব এবং একজন অতিরিক্ত সচিব রয়েছেন। গতকাল সোমবার কমিশনের গণসংযোগ কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য সচিবদের বিরুদ্ধে প্রাথমিক এ অনুসন্ধানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রতিবেদনের এ অংশটুকু অসত্য ও প্রতিবেদকের মনগড়া।  জনসংযোগ কর্মকর্তার সাথে এ বিষয়ে প্রতিবেদকের সাথে টেলিফোনে অথবা মুখোমুখি কখনই কোনরুপ কথা হয়নি।

    কমিশনের এই প্রতিবাদলিপি যথাযথ গুরুত্বের সাথে আপনার প্রকাশিত পত্রিকার পরবর্তী সংখ্যায় প্রকাশের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

                                                                                  (প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য)
                                                                          উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা
                                                                                   দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                                                  প্রধান কার্যালয়, ঢাকা।

সম্পাদক
দৈনিক ইত্তেফাক
৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫।

    
                                            দুর্নীতি দমন কমিশন
                                              প্রধান কার্যালয়
                                                 ঢাকা

স্মারক নং-জনসংযোগ/                                                                 তারিখ : ২৫/ ০৮/২০১৪ খ্রিঃ

বিষয়:   প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ।

    আপনার বহুল প্রচারিত ইনকিলাব পত্রিকায় ২৮/০৮/২০১৪ খ্রিঃ তারিখের বর্ষ-২৯, সংখ্যা-৭৯ এর ১৬ পাতায় “আসামিদের আড়াল করে সাক্ষীদের নামে মামলা” শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রকৃত আসামিদের আড়াল করে সাক্ষীদের নামে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুইজন কমিশনারের আপত্তি সত্ত্বেও চেয়ারম্যান নিজ ক্ষমতাবলে এই মামলার অনুমোদন দিয়েছেন বলে দুদকের একটি সূত্র জানিয়েছে। নাম না প্রকাশের শর্তে দুদকের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, ওই অনুসন্ধানের নথিতে বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্তের মহাপরিচালক মো: সালাহউদ্দিন এবং অনুসন্ধান কমিশনার মো: নাসিরউদ্দিন পুনঃ অনুসন্ধানের বিষয়টি নিজ হাতে লিখে দিলেও চেয়ারম্যান মো: বদিউজ্জামান তা কেটে দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চেয়ারম্যানের এ ঘটনার সত্যতা জানিয়েছেন দুদকের উপস্থিত কর্মকর্তারাই। কোনও রকম বৈঠক বা অন্য কমিশনানদের সঙ্গে আলোচনাও করেননি চেয়ারম্যান। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ট্রেড সেন্টার মার্কেটের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আহসান ও দুদকের চেয়ারম্যান বদিউজ্জামান উভয়ের বাড়ি নোয়াখালীর লক্ষীপুরে। নাজমুল আহসানকে প্রায়ই দুদকের চেয়ারম্যানের ভাইয়ের পল্টন অফিসে যেতে দেখেন, তারই মার্কেট কমিটির সদস্যরা।

কমিশনের বক্তব্য ঃ প্রতিবেদনের এই অংশটুকু সম্পূর্ণ অসত্য, কল্পনা প্রসূত, ভিত্তিহীন ও প্রতিবেদকের মনগড়া। কমিশনের যে কোনো সিদ্ধান্ত কমিশনের সভায় গৃহীত হয়। এক্ষেত্রেও কোনরুপ ব্যত্যয় ঘটেনি। তাছাড়া মাননীয় কমিশনার কর্তৃক লিখিত কোন মতামত মাননীয় চেয়ারম্যান কখনও কেটে দিয়েছেন এমন একটি নজিরও দুর্নীতি দমন কমিশনে নেই।

ট্রেড সেন্টার মার্কেটের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আহসানের সাথে কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যানের কোনরুপ পরিচয় নেই। কমিশন মনে করে আপনার পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনটি প্রতিবেদক অসৎ উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করেছেন।

    কমিশনের এই প্রতিবাদলিপি যথাযথ গুরুত্বের সাথে আপনার প্রকাশিত পত্রিকার পরবর্তী সংখ্যায় প্রকাশের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

                                                                                 (প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য)
                                                                         উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা
                                                                                  দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                                                  প্রধান কার্যালয়, ঢাকা।

সম্পাদক
দৈনিক ইনকিলাব
২/১, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩।  

                                                     দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                      প্রধান কার্যালয়
                                                         ঢাকা

স্মারক নং-জনসংযোগ/                                                             তারিখ : ০৬/ ০৭/২০১৪ খ্রিঃ

বিষয়:    প্রকাশিত “সম্পাদকীয়” এর প্রতিবাদ।

    আপনার বহুল প্রচারিত সংবাদ পত্রিকায় ০২/০৭/২০১৪ খ্রিঃ তারিখের বর্ষ-৬৪, সংখ্যা-৪৫ এর ৬ষ্ঠ পাতায় “এই দুদকের প্রয়োজন কি-দুর্নীতিবাজদের রক্ষাই দুদকের কাজ” শিরোনামে প্রকাশিত সম্পাদকীয়টি কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। সম্পাদকীয়তে উল্লেখ করা হয়েছে, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সাবেক মহাব্যবস্থাপক (বরখাস্ত) জিএম ইউসুফ আলী মৃধাকে বাদ দিয়ে রেলে নিয়োগ দুর্নীতির দুই মামলার চার্জশীট দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। চট্টগ্রাম আদালতে গত রোববার চার্জশীট জমা দেন দুদক কর্মকর্তারা। মামলায় জিএম ইউসুফের নাম থাকলেও চার্জশীট থেকে তার নাম বাদ দেয়া হয়েছে। বাদ দেয়ার কারণ হিসেবে দুদকের তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জিএম ইউসুফের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যপ্রমাণ কিছু পাওয়া যায়নি। আগামী ২৭ আগষ্ট চার্জশিট গ্রহণের বিষয়ে শুনানীর দিন ধার্য করা হয়েছে।
জিএম ইউসুফ মৃধা ২০১২ সালের ৯ এপ্রিল তৎকালীন রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের বাসায় যাওয়ার সময় টাকার বস্তাসহ আটক হন। এ ঘটনার জের ধরে তৎকালীন রেলমন্ত্রী পদত্যাগও করেন। জিএম ইউসুফকে তার পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়। টাকার বস্তাসহ আটক হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুদক একাধিক মামলা দায়ের করে। সেসব মামলায় জিএম ইউসুফ গ্রেফতারও হন। মামলার তদন্ত করে এখন দুদক বলছে, তার বিরুদ্ধে সাক্ষপ্রমাণ পাওয়া যায়নি নাকি দুদক সাক্ষ্যপ্রমাণ পেতে চায়নি- তা নিয়ে মানুষের মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কারণ অতীতে দেখা গেছে, দিবালোকের মোত স্পষ্ট অপরাধারেও তথ্য প্রমাণ খুঁজে পায় না দুদক। রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানাকে বাদ দিয়ে দুদক সম্প্রতি মামলা করার অনুমোদন দেয়।
দুদকের কাজ হচ্ছে দুর্নীতিগ্রস্তদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া। কিন্তু বর্তমান দুদককে দেখে মনে হচ্ছে দুর্নীতিবাজদের রক্ষা করার মিশন নিয়ে কাজ করছে। দিবালোকের মতো স্পষ্ট অনেক বড় বড় দুর্নীতির তদন্ত করে তারা কোন সাক্ষ্যপ্রমাণ খুঁজে পায় না। চার্জশিটে লিখে দেয়া হয় যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যপ্রমাণ মেলেনি কাজেই তাকে অব্যাহিত দেয়া হোক। একটি আইনি প্রক্রিয়াকে হাতিয়ার বানিয়ে চিহ্নিত দুর্নীতিবাজদের রক্ষা করা হচ্ছে কিনা সে প্রশ্ন উঠছে।
 কমিশনের বক্তব্য ঃ প্রকাশিত সম্পাদকীয়টি অসত্য, কল্পনা প্রসূত ও বাস্তবতা বিবর্জিত তথ্যের উপর ভিত্তি করে প্রকাশ করা হয়েছে। রেলের সাবেক মহাব্যবস্থাপক ইউসুফ আলী মৃধার বিরুদ্ধে রেলের বিভিন্ন ক্যাটাগরির নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন মোট ১৩ টি মামলা দায়ের করে। প্রতিটি মামলায় জনাব ইউসুফ আলী মৃধাসহ সংশ্লিষ্টদের আসামী করা হয়। দায়েরকৃত ১৩ টি মামলার মধ্যে ইতোমধ্যে ৭টি মামলায় চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। এর মধ্যে ৫টি মামলায় ইউসুফ আলী মৃধাসহ সংশ্লিষ্টদের অভিযুক্ত করে বিজ্ঞ আদালতে চার্জশিট/অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। এ ৫ টি মামলার বিচার কার্যক্রম বিজ্ঞ আদালতে চলমান রয়েছে এবং আসামী ইউসুফ আলী মৃধা কারাগারে অন্তরীণ আছেন। অপর দুইটি মামলায় ইউসুফ আলী মৃধার বিরুদ্ধে দালিলিক প্রমাণাদি ও পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ না থাকায় তাকে বাদ দিয়ে অন্যান্য আসামীদের অভিযুক্ত করে চার্জশীট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।
    
    রানা প্লাজার ভবন নির্মাণ সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে রানা প্লাজার মালিক আঃ খালেক ও মর্জিনা বেগমসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্যদের বিরুদ্ধে প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। পূর্নাঙ্গ তদন্তে অন্য কারো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাকে মামলায় অভিযুক্ত করার সুযোগ রয়েছে।

এখানে উল্লেখ্য যে, পর্যাপ্ত দালিলিক প্রমাণাদি ও সাক্ষ্য সাবুদ ব্যতিরেকে কমিশন রাগ অনুরাগের বশবর্তী হয়ে কোন ব্যক্তিকে মামলায় অভিযুক্ত বা মামলা হতে অব্যাহতি প্রদান করতে পারে না।

দেশে সংঘটিত  যে সকল দুর্নীতির অভিযোগ কমিশনের গোচরীভূত হয় উহার প্রত্যেকটি অভিযোগ বর্তমান কমিশন অনুসন্ধান করছে। অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে রাজনীতিবিদ, উর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, বিত্তবান ব্যবসায়ী কিংবা প্রখ্যাত পেশাজীবী কাউকেই নূন্যতম ছাড় দেয়নি কমিশন। হলমার্ক, ডেসটিনিসহ বিভিন্ন এম এল এম কোম্পানীর দুর্নীতির বিষয়ে কমিশন কঠোরভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করায়-এ সকল দুর্নীতির সাথে জড়িত সংশ্লিষ্টদের অনেকে এখনও কারান্তরীন রয়েছেন। প্রত্যেককেই বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানো হয়েছে।  এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুধাবন করতে হবে যে কমিশন আইনানুগ প্রক্রিয়া ব্যতিরেকে ধারণার উপর ভিত্তি করে কোন মামলা দায়ের করতে পারেনা। কিংবা মামলা থেকে অব্যাহতি দিতে পারে না। গণমাধ্যম কমিশনের অকৃত্রিম সুহƒদ-এক্ষেত্রে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ/সম্পাদকীয়/উপসম্পাদকীয় প্রকাশ করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হলো।

    কমিশনের এই প্রতিবাদলিপি যথাযথ গুরুত্বের সাথে আপনার প্রকাশিত পত্রিকার পরবর্তী সংখ্যায় প্রকাশের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

                                                                                 (প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য)
                                                                         উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা
                                                                                  দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                                                 প্রধান কার্যালয়, ঢাকা।

সম্পাদক
দৈনিক সংবাদ
৩৬, পুরানা পল্টন, ঢাকা।   

 

                                                   দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                     প্রধান কার্যালয়
                                                        ঢাকা

স্মারক নং-জনসংযোগ/১৯২১৯(২)                                                 তারিখ : ২৫/ ০৬/২০১৪ খ্রিঃ

বিষয় ঃ     প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ।
    আপনার বহুল প্রচারিত বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় ২৫/০৬/২০১৪ খ্রিঃ তারিখের বর্ষ-৫, সংখ্যা-১০০ এর ১ম পাতায় “তবুও বহাল সেই সচিব” শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। প্রতিবেদনের একাংশে উল্লেখ করা হয়েছে রাজউকের প্লট বরাদ্দ নেওয়ার ক্ষেত্রে নানা কেলেঙ্কারির সৃষ্টিকারী সচিব শওকত হোসেনের ব্যাপারে দুদক কমিশনার সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বলেন, “গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকাকালে সচিব শওকত হোসেন অবৈধ সম্পদের লোভ সামলাতে পারেননি। রাজউকের প্লট নেওয়ার আবেদনে এই শওকত হোসেন তার হলফনামায় সুষ্পষ্টভাবে মিথ্যা ঘোষণা দিয়েছেন। রাজধানীতে তার প্লট-ফ্ল্যাটের ছড়াছড়ি থাকা সত্ত্বেও হলফনামায় নিজের কোনো প্লট বা ফ্ল্যাট নেই বলে দাবি করেছেন। দুদক কমিশনার সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বলেন, ‘তিনি (শওকত হোসেন) আসলেই জঘন্যতম প্রতারক।”

কমিশনের বক্তব্য ঃ প্রতিবেদকের সাথে কমিশনের মাননীয় কমিশনার মো: সাহাবুদ্দিন চুপ্পু’র সরাসরি বা টেলিফোনে কোন কথা হয়নি। তাই কমিশনার মহোদয়কে উদ্ধৃতি করে যে বক্তব্য ছাপা হয়েছে তা মিথ্যা, ভিত্তিহীন, কল্পনা প্রসূত এবং প্রতিবেদকের মনগড়া। এ বক্তব্যের দায়-দায়িত্ব সম্পূর্ণরুপে প্রতিবেদকের ওপর বর্তায়। ।

    কমিশনের এই প্রতিবাদলিপি যথাযথ গুরুত্বের সাথে আপনার প্রকাশিত পত্রিকার পরবর্তী সংখ্যায় প্রকাশের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

                                                                                (প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য)
                                                                         উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা
                                                                                 দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                                                প্রধান কার্যালয়, ঢাকা।

সম্পাদক
বাংলাদেশ প্রতিদিন
প্লট নং-৩৭১/এ, ব্লক-ডি
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা
বারিধারা, ঢাকা।   

                                                        দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                         প্রধান কার্যালয়
                                                             ঢাকা
স্মারক নং-    জনসংযোগ/                                                           তারিখ : ২৩/ ০৬/২০১৪ খ্রিঃ

বিষয়:     প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা।

    আপনার বহুল প্রচারিত দৈনিক সমকাল পত্রিকায় ২৩/০৬/২০১৪ খ্রিঃ তারিখের বর্ষ-১০, সংখ্যা-৯২ এর ২০ নং পাতায় “চার্জশীট দেওয়া হচ্ছে মৃধাকে বাদ দিয়েই ” শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে “বস্তাভর্তি টাকা উদ্ধারের ঘটনায় গুডস সহকারী নিয়োগ দুর্নীতির মামলা থেকে রেলের আলোচিত সাবেক মহাব্যবস্থাপক ইউসুফ আলী মৃধাকে বাদ দিয়ে চার্জশীট চুড়ান্ত করেছে দুদক।”
 কমিশনের বক্তব্য ঃ রেলের নিয়োগ দৃর্নীতি সংক্রান্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন মোট ১৩ টি মামলা দায়ের করে। প্রতিটি মামলাই রেলের সাবেক মহাব্যবস্থাপক ইউসুফ আলী মৃধা আসামী। দায়েরকৃত ১৩ টি মামলার মধ্যে ইতোমধ্যে ৫টি মামলায় ইউসুফ আলী মৃধাসহ সংশ্লিষ্টদের অভিযুক্ত করে বিজ্ঞ আদালতে চার্জশীট/অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। এ ৫ টি মামলার বিচার কার্যক্রম বিজ্ঞ আদালতে চলমান রয়েছে এবং আসামী ইউসুফ আলী মৃধা কারাগারে অন্তরীণ আছেন। অপর দুইটি মামলায় ইউসুফ আলী মৃধার বিরুদ্ধে দালিলিক প্রমানাদি ও পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ না থাকায় তাকে বাদ দিয়ে অন্যান্য আসামীদের অভিযুক্ত করে চার্জশীট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।
    এখানে উল্লেখ্য যে, পর্যাপ্ত দালিলিক প্রমানাদি ও সাক্ষ্য সাবুদ ব্যতিরেকে কমিশন রাগ অনুরাগের বশবর্তী হয়ে কোন ব্যক্তিকে মামলায় অভিযুক্ত বা মামলা হতে অব্যাহিত প্রদান করতে পারে না। এ বিষয়ে গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করা হলো।
    এছাড়া প্রতিবেদনের অপর অংশে উল্লেখ করা হয়েছে, “ গত ৯ জুন ঢাকায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক (তদন্ত) মো: সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ চার্জশীট অনুমোদন দেওয়া হয়।”

কমিশনের বক্তব্য ঃ  ৯ জুন এ বিষয়ে কমিশনের কোন সভা অনুষ্ঠিত হয়নি। তাই কমিশনের মাননীয় কমিশনার মো: সাহাবুদ্দিন চুপ্পু এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় রেলের গুডস সহকারী নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় চার্জশীট থেকে রেলের আলোচিত মহাব্যবস্থাপক ইউসুফ আলী মৃধাকে বাদ দিয়ে চার্জশীটের সিদ্ধান্ত অনুমোদন সংক্রান্ত প্রতিবেদনের অংশটুকু সম্পুর্ন অসত্য ও কল্পনা প্রসূত।

প্রতৃক সত্য হচ্ছে যে, এ বিষয়ে বিগত ১৯/০৫/২০১৪ ইং তারিখে কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উভয় কমিশনার যথাক্রমে মো: সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ও ড. নাসিরউদ্দীন আহমেদ এর উপস্থিতিতে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এখানে উল্লেখ্য যে, পদাধিকার বলে কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যানই কমিশন সভায় সভাপতিত্ব করেন এবং কমিশনের সকল সিদ্ধান্ত  সভায় গৃহীত হয়। এক্ষেত্রেও এর ব্যত্যয় ঘটেনি।

    এছাড়া প্রতিবেদনে কমিশনের মাননীয় কমিশনার মো: সাহাবুদ্দিন চুপ্পকে পরিচালক(তদন্ত) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে তার ব্যক্তিগত ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়েছে।

    প্রকাশিত সংবাদের সমান গুরুত্ব দিয়ে কমিশন কর্তৃক প্রেরিত প্রতিবাদলিপিটি পরবর্তী সংখ্যায় একই স্থানে প্রকাশের জন্য বিনীত অনুরোধ করা হলো।

                                                                                 জনসংযোগ কর্মকর্তা
                                                                                দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                                               প্রধান কার্যালয়, ঢাকা।

প্রতি,
      সম্পাদক
      দৈনিক সমকাল
      ১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা
      ঢাকা-১২০৮।     (প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য)

                                                 দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                   প্রধান কার্যালয়
                                                      ঢাকা

স্মারক নং-জনসংযোগ/                                                                            তারিখ : ২২/ ১০/২০১৪ খ্রিঃ

বিষয়:    প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ।

    আপনার বহুল প্রচারিত ইত্তেফাক পত্রিকায় ২১/১০/২০১৪ খ্রিঃ তারিখের বর্ষ-৬১, সংখ্যা-২৯২ এর প্রথম পাতায় “আরো চার সচিবের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান” শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মুক্তিযোদ্ধা সনদ জালিয়াতির অভিযোগে আরো চার সচিবসহ সাত জনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই সাতজনের মধ্যে চারজন সচিব, দুইজন যুগ্ম-সচিব এবং একজন অতিরিক্ত সচিব রয়েছেন। গতকাল সোমবার কমিশনের গণসংযোগ কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য সচিবদের বিরুদ্ধে প্রাথমিক এ অনুসন্ধানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রতিবেদনের এ অংশটুকু অসত্য ও প্রতিবেদকের মনগড়া।  জনসংযোগ কর্মকর্তার সাথে এ বিষয়ে প্রতিবেদকের সাথে টেলিফোনে অথবা মুখোমুখি কখনই কোনরুপ কথা হয়নি।

    কমিশনের এই প্রতিবাদলিপি যথাযথ গুরুত্বের সাথে আপনার প্রকাশিত পত্রিকার পরবর্তী সংখ্যায় প্রকাশের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

                                                                               (প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য)
                                                                         উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা
                                                                                দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                                               প্রধান কার্যালয়, ঢাকা।
সম্পাদক
দৈনিক ইত্তেফাক
৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫।     

                                                       দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                         প্রধান কার্যালয়
                                                            ঢাকা

স্মারক নং-জনসংযোগ/                                                        তারিখ : ২৫/ ০৮/২০১৪ খ্রিঃ

বিষয় ঃ     প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ।

    আপনার বহুল প্রচারিত ইনকিলাব পত্রিকায় ২৮/০৮/২০১৪ খ্রিঃ তারিখের বর্ষ-২৯, সংখ্যা-৭৯ এর ১৬ পাতায় “আসামিদের আড়াল করে সাক্ষীদের নামে মামলা” শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রকৃত আসামিদের আড়াল করে সাক্ষীদের নামে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুইজন কমিশনারের আপত্তি সত্ত্বেও চেয়ারম্যান নিজ ক্ষমতাবলে এই মামলার অনুমোদন দিয়েছেন বলে দুদকের একটি সূত্র জানিয়েছে। নাম না প্রকাশের শর্তে দুদকের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, ওই অনুসন্ধানের নথিতে বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্তের মহাপরিচালক মো: সালাহউদ্দিন এবং অনুসন্ধান কমিশনার মো: নাসিরউদ্দিন পুনঃ অনুসন্ধানের বিষয়টি নিজ হাতে লিখে দিলেও চেয়ারম্যান মো: বদিউজ্জামান তা কেটে দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চেয়ারম্যানের এ ঘটনার সত্যতা জানিয়েছেন দুদকের উপস্থিত কর্মকর্তারাই। কোনও রকম বৈঠক বা অন্য কমিশনানদের সঙ্গে আলোচনাও করেননি চেয়ারম্যান। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ট্রেড সেন্টার মার্কেটের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আহসান ও দুদকের চেয়ারম্যান বদিউজ্জামান উভয়ের বাড়ি নোয়াখালীর লক্ষীপুরে। নাজমুল আহসানকে প্রায়ই দুদকের চেয়ারম্যানের ভাইয়ের পল্টন অফিসে যেতে দেখেন, তারই মার্কেট কমিটির সদস্যরা।

কমিশনের বক্তব্য ঃ প্রতিবেদনের এই অংশটুকু সম্পূর্ণ অসত্য, কল্পনা প্রসূত, ভিত্তিহীন ও প্রতিবেদকের মনগড়া। কমিশনের যে কোনো সিদ্ধান্ত কমিশনের সভায় গৃহীত হয়। এক্ষেত্রেও কোনরুপ ব্যত্যয় ঘটেনি। তাছাড়া মাননীয় কমিশনার কর্তৃক লিখিত কোন মতামত মাননীয় চেয়ারম্যান কখনও কেটে দিয়েছেন এমন একটি নজিরও দুর্নীতি দমন কমিশনে নেই।

ট্রেড সেন্টার মার্কেটের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আহসানের সাথে কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যানের কোনরুপ পরিচয় নেই। কমিশন মনে করে আপনার পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনটি প্রতিবেদক অসৎ উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করেছেন।

    কমিশনের এই প্রতিবাদলিপি যথাযথ গুরুত্বের সাথে আপনার প্রকাশিত পত্রিকার পরবর্তী সংখ্যায় প্রকাশের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

                                                                               (প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য)
                                                                         উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা
                                                                                দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                                               প্রধান কার্যালয়, ঢাকা।

সম্পাদক
দৈনিক ইনকিলাব
২/১, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩।   

                                                     দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                       প্রধান কার্যালয়
                                                         ঢাকা

স্মারক নং-জনসংযোগ/                                                         তারিখ Ñ ০৬/ ০৭/২০১৪ খ্রিঃ

বিষয় :    প্রকাশিত “সম্পাদকীয়” এর প্রতিবাদ।

    আপনার বহুল প্রচারিত সংবাদ পত্রিকায় ০২/০৭/২০১৪ খ্রিঃ তারিখের বর্ষ-৬৪, সংখ্যা-৪৫ এর ৬ষ্ঠ পাতায় “এই দুদকের প্রয়োজন কি-দুর্নীতিবাজদের রক্ষাই দুদকের কাজ” শিরোনামে প্রকাশিত সম্পাদকীয়টি কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। সম্পাদকীয়তে উল্লেখ করা হয়েছে, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সাবেক মহাব্যবস্থাপক (বরখাস্ত) জিএম ইউসুফ আলী মৃধাকে বাদ দিয়ে রেলে নিয়োগ দুর্নীতির দুই মামলার চার্জশীট দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। চট্টগ্রাম আদালতে গত রোববার চার্জশীট জমা দেন দুদক কর্মকর্তারা। মামলায় জিএম ইউসুফের নাম থাকলেও চার্জশীট থেকে তার নাম বাদ দেয়া হয়েছে। বাদ দেয়ার কারণ হিসেবে দুদকের তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জিএম ইউসুফের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যপ্রমাণ কিছু পাওয়া যায়নি। আগামী ২৭ আগষ্ট চার্জশিট গ্রহণের বিষয়ে শুনানীর দিন ধার্য করা হয়েছে।
জিএম ইউসুফ মৃধা ২০১২ সালের ৯ এপ্রিল তৎকালীন রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের বাসায় যাওয়ার সময় টাকার বস্তাসহ আটক হন। এ ঘটনার জের ধরে তৎকালীন রেলমন্ত্রী পদত্যাগও করেন। জিএম ইউসুফকে তার পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়। টাকার বস্তাসহ আটক হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুদক একাধিক মামলা দায়ের করে। সেসব মামলায় জিএম ইউসুফ গ্রেফতারও হন। মামলার তদন্ত করে এখন দুদক বলছে, তার বিরুদ্ধে সাক্ষপ্রমাণ পাওয়া যায়নি নাকি দুদক সাক্ষ্যপ্রমাণ পেতে চায়নি- তা নিয়ে মানুষের মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কারণ অতীতে দেখা গেছে, দিবালোকের মোত স্পষ্ট অপরাধারেও তথ্য প্রমাণ খুঁজে পায় না দুদক। রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানাকে বাদ দিয়ে দুদক সম্প্রতি মামলা করার অনুমোদন দেয়।
দুদকের কাজ হচ্ছে দুর্নীতিগ্রস্তদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া। কিন্তু বর্তমান দুদককে দেখে মনে হচ্ছে দুর্নীতিবাজদের রক্ষা করার মিশন নিয়ে কাজ করছে। দিবালোকের মতো স্পষ্ট অনেক বড় বড় দুর্নীতির তদন্ত করে তারা কোন সাক্ষ্যপ্রমাণ খুঁজে পায় না। চার্জশিটে লিখে দেয়া হয় যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যপ্রমাণ মেলেনি কাজেই তাকে অব্যাহিত দেয়া হোক। একটি আইনি প্রক্রিয়াকে হাতিয়ার বানিয়ে চিহ্নিত দুর্নীতিবাজদের রক্ষা করা হচ্ছে কিনা সে প্রশ্ন উঠছে।
 কমিশনের বক্তব্য ঃ প্রকাশিত সম্পাদকীয়টি অসত্য, কল্পনা প্রসূত ও বাস্তবতা বিবর্জিত তথ্যের উপর ভিত্তি করে প্রকাশ করা হয়েছে। রেলের সাবেক মহাব্যবস্থাপক ইউসুফ আলী মৃধার বিরুদ্ধে রেলের বিভিন্ন ক্যাটাগরির নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন মোট ১৩ টি মামলা দায়ের করে। প্রতিটি মামলায় জনাব ইউসুফ আলী মৃধাসহ সংশ্লিষ্টদের আসামী করা হয়। দায়েরকৃত ১৩ টি মামলার মধ্যে ইতোমধ্যে ৭টি মামলায় চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। এর মধ্যে ৫টি মামলায় ইউসুফ আলী মৃধাসহ সংশ্লিষ্টদের অভিযুক্ত করে বিজ্ঞ আদালতে চার্জশিট/অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। এ ৫ টি মামলার বিচার কার্যক্রম বিজ্ঞ আদালতে চলমান রয়েছে এবং আসামী ইউসুফ আলী মৃধা কারাগারে অন্তরীণ আছেন। অপর দুইটি মামলায় ইউসুফ আলী মৃধার বিরুদ্ধে দালিলিক প্রমাণাদি ও পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ না থাকায় তাকে বাদ দিয়ে অন্যান্য আসামীদের অভিযুক্ত করে চার্জশীট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।
    
    রানা প্লাজার ভবন নির্মাণ সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে রানা প্লাজার মালিক আঃ খালেক ও মর্জিনা বেগমসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্যদের বিরুদ্ধে প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। পূর্নাঙ্গ তদন্তে অন্য কারো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাকে মামলায় অভিযুক্ত করার সুযোগ রয়েছে।

এখানে উল্লেখ্য যে, পর্যাপ্ত দালিলিক প্রমাণাদি ও সাক্ষ্য সাবুদ ব্যতিরেকে কমিশন রাগ অনুরাগের বশবর্তী হয়ে কোন ব্যক্তিকে মামলায় অভিযুক্ত বা মামলা হতে অব্যাহতি প্রদান করতে পারে না।

দেশে সংঘটিত  যে সকল দুর্নীতির অভিযোগ কমিশনের গোচরীভূত হয় উহার প্রত্যেকটি অভিযোগ বর্তমান কমিশন অনুসন্ধান করছে। অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে রাজনীতিবিদ, উর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, বিত্তবান ব্যবসায়ী কিংবা প্রখ্যাত পেশাজীবী কাউকেই নূন্যতম ছাড় দেয়নি কমিশন। হলমার্ক, ডেসটিনিসহ বিভিন্ন এম এল এম কোম্পানীর দুর্নীতির বিষয়ে কমিশন কঠোরভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করায়-এ সকল দুর্নীতির সাথে জড়িত সংশ্লিষ্টদের অনেকে এখনও কারান্তরীন রয়েছেন। প্রত্যেককেই বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানো হয়েছে।  এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুধাবন করতে হবে যে কমিশন আইনানুগ প্রক্রিয়া ব্যতিরেকে ধারণার উপর ভিত্তি করে কোন মামলা দায়ের করতে পারেনা। কিংবা মামলা থেকে অব্যাহতি দিতে পারে না। গণমাধ্যম কমিশনের অকৃত্রিম সুহƒদ-এক্ষেত্রে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ/সম্পাদকীয়/উপসম্পাদকীয় প্রকাশ করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হলো।

    কমিশনের এই প্রতিবাদলিপি যথাযথ গুরুত্বের সাথে আপনার প্রকাশিত পত্রিকার পরবর্তী সংখ্যায় প্রকাশের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

                                                                           (প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য)
                                                                   উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা
                                                                           দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                                          প্রধান কার্যালয়, ঢাকা।

সম্পাদক
দৈনিক সংবাদ
৩৬, পুরানা পল্টন, ঢাকা।  
                                                         দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                           প্রধান কার্যালয়
                                                              ঢাকা
স্মারক নং-জনসংযোগ/১৯২১৯(২)                                             তারিখ : ২৫/ ০৬/২০১৪ খ্রিঃ

বিষয়:     প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ।

    আপনার বহুল প্রচারিত বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় ২৫/০৬/২০১৪ খ্রিঃ তারিখের বর্ষ-৫, সংখ্যা-১০০ এর ১ম পাতায় “তবুও বহাল সেই সচিব” শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। প্রতিবেদনের একাংশে উল্লেখ করা হয়েছে রাজউকের প্লট বরাদ্দ নেওয়ার ক্ষেত্রে নানা কেলেঙ্কারির সৃষ্টিকারী সচিব শওকত হোসেনের ব্যাপারে দুদক কমিশনার সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বলেন, “গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকাকালে সচিব শওকত হোসেন অবৈধ সম্পদের লোভ সামলাতে পারেননি। রাজউকের প্লট নেওয়ার আবেদনে এই শওকত হোসেন তার হলফনামায় সুষ্পষ্টভাবে মিথ্যা ঘোষণা দিয়েছেন। রাজধানীতে তার প্লট-ফ্ল্যাটের ছড়াছড়ি থাকা সত্ত্বেও হলফনামায় নিজের কোনো প্লট বা ফ্ল্যাট নেই বলে দাবি করেছেন। দুদক কমিশনার সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বলেন, ‘তিনি (শওকত হোসেন) আসলেই জঘন্যতম প্রতারক।”

কমিশনের বক্তব্য ঃ প্রতিবেদকের সাথে কমিশনের মাননীয় কমিশনার মো: সাহাবুদ্দিন চুপ্পু’র সরাসরি বা টেলিফোনে কোন কথা হয়নি। তাই কমিশনার মহোদয়কে উদ্ধৃতি করে যে বক্তব্য ছাপা হয়েছে তা মিথ্যা, ভিত্তিহীন, কল্পনা প্রসূত এবং প্রতিবেদকের মনগড়া। এ বক্তব্যের দায়-দায়িত্ব সম্পূর্ণরুপে প্রতিবেদকের ওপর বর্তায়। ।

    কমিশনের এই প্রতিবাদলিপি যথাযথ গুরুত্বের সাথে আপনার প্রকাশিত পত্রিকার পরবর্তী সংখ্যায় প্রকাশের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

                                                                             (প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য)
                                                                      উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা
                                                                             দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                                             প্রধান কার্যালয়, ঢাকা।

সম্পাদক
বাংলাদেশ প্রতিদিন
প্লট নং-৩৭১/এ, ব্লক-ডি
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা
বারিধারা, ঢাকা।   

                                                        দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                         প্রধান কার্যালয়
                                                             ঢাকা
স্মারক নং- জনসংযোগ/                                                    তারিখ : ২৩/ ০৬/২০১৪ খ্রিঃ

বিষয়:     প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা।

    আপনার বহুল প্রচারিত দৈনিক সমকাল পত্রিকায় ২৩/০৬/২০১৪ খ্রিঃ তারিখের বর্ষ-১০, সংখ্যা-৯২ এর ২০ নং পাতায় “চার্জশীট দেওয়া হচ্ছে মৃধাকে বাদ দিয়েই ” শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে “বস্তাভর্তি টাকা উদ্ধারের ঘটনায় গুডস সহকারী নিয়োগ দুর্নীতির মামলা থেকে রেলের আলোচিত সাবেক মহাব্যবস্থাপক ইউসুফ আলী মৃধাকে বাদ দিয়ে চার্জশীট চুড়ান্ত করেছে দুদক।”
 কমিশনের বক্তব্য ঃ রেলের নিয়োগ দৃর্নীতি সংক্রান্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন মোট ১৩ টি মামলা দায়ের করে। প্রতিটি মামলাই রেলের সাবেক মহাব্যবস্থাপক ইউসুফ আলী মৃধা আসামী। দায়েরকৃত ১৩ টি মামলার মধ্যে ইতোমধ্যে ৫টি মামলায় ইউসুফ আলী মৃধাসহ সংশ্লিষ্টদের অভিযুক্ত করে বিজ্ঞ আদালতে চার্জশীট/অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। এ ৫ টি মামলার বিচার কার্যক্রম বিজ্ঞ আদালতে চলমান রয়েছে এবং আসামী ইউসুফ আলী মৃধা কারাগারে অন্তরীণ আছেন। অপর দুইটি মামলায় ইউসুফ আলী মৃধার বিরুদ্ধে দালিলিক প্রমানাদি ও পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ না থাকায় তাকে বাদ দিয়ে অন্যান্য আসামীদের অভিযুক্ত করে চার্জশীট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।
    এখানে উল্লেখ্য যে, পর্যাপ্ত দালিলিক প্রমানাদি ও সাক্ষ্য সাবুদ ব্যতিরেকে কমিশন রাগ অনুরাগের বশবর্তী হয়ে কোন ব্যক্তিকে মামলায় অভিযুক্ত বা মামলা হতে অব্যাহিত প্রদান করতে পারে না। এ বিষয়ে গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করা হলো।
    এছাড়া প্রতিবেদনের অপর অংশে উল্লেখ করা হয়েছে, “ গত ৯ জুন ঢাকায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক (তদন্ত) মো: সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ চার্জশীট অনুমোদন দেওয়া হয়।”

কমিশনের বক্তব্য ঃ  ৯ জুন এ বিষয়ে কমিশনের কোন সভা অনুষ্ঠিত হয়নি। তাই কমিশনের মাননীয় কমিশনার মো: সাহাবুদ্দিন চুপ্পু এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় রেলের গুডস সহকারী নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় চার্জশীট থেকে রেলের আলোচিত মহাব্যবস্থাপক ইউসুফ আলী মৃধাকে বাদ দিয়ে চার্জশীটের সিদ্ধান্ত অনুমোদন সংক্রান্ত প্রতিবেদনের অংশটুকু সম্পুর্ন অসত্য ও কল্পনা প্রসূত।

প্রতৃক সত্য হচ্ছে যে, এ বিষয়ে বিগত ১৯/০৫/২০১৪ ইং তারিখে কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উভয় কমিশনার যথাক্রমে মো: সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ও ড. নাসিরউদ্দীন আহমেদ এর উপস্থিতিতে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এখানে উল্লেখ্য যে, পদাধিকার বলে কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যানই কমিশন সভায় সভাপতিত্ব করেন এবং কমিশনের সকল সিদ্ধান্ত  সভায় গৃহীত হয়। এক্ষেত্রেও এর ব্যত্যয় ঘটেনি।

    এছাড়া প্রতিবেদনে কমিশনের মাননীয় কমিশনার মো: সাহাবুদ্দিন চুপ্পকে পরিচালক(তদন্ত) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে তার ব্যক্তিগত ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়েছে।

    প্রকাশিত সংবাদের সমান গুরুত্ব দিয়ে কমিশন কর্তৃক প্রেরিত প্রতিবাদলিপিটি পরবর্তী সংখ্যায় একই স্থানে প্রকাশের জন্য বিনীত অনুরোধ করা হলো।

                                                                        (প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য)
                                                                         জনসংযোগ কর্মকর্তা
                                                                        দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                                       প্রধান কার্যালয়, ঢাকা।

প্রতি,
      সম্পাদক
      দৈনিক সমকাল
      ১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা
      ঢাকা-১২০৮।     

                                                       দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                         প্রধান কার্যালয়
                                                             ঢাকা

স্মারক নং-জনসংযোগ/                                                       তারিখ :  ২২/ ১০/২০১৪ খ্রিঃ

বিষয় :     প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ।

    আপনার বহুল প্রচারিত ইত্তেফাক পত্রিকায় ২১/১০/২০১৪ খ্রিঃ তারিখের বর্ষ-৬১, সংখ্যা-২৯২ এর প্রথম পাতায় “আরো চার সচিবের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান” শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মুক্তিযোদ্ধা সনদ জালিয়াতির অভিযোগে আরো চার সচিবসহ সাত জনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই সাতজনের মধ্যে চারজন সচিব, দুইজন যুগ্ম-সচিব এবং একজন অতিরিক্ত সচিব রয়েছেন। গতকাল সোমবার কমিশনের গণসংযোগ কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য সচিবদের বিরুদ্ধে প্রাথমিক এ অনুসন্ধানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রতিবেদনের এ অংশটুকু অসত্য ও প্রতিবেদকের মনগড়া।  জনসংযোগ কর্মকর্তার সাথে এ বিষয়ে প্রতিবেদকের সাথে টেলিফোনে অথবা মুখোমুখি কখনই কোনরুপ কথা হয়নি।

    কমিশনের এই প্রতিবাদলিপি যথাযথ গুরুত্বের সাথে আপনার প্রকাশিত পত্রিকার পরবর্তী সংখ্যায় প্রকাশের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

                                                                                 (প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য)
                                                                         উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা
                                                                                   দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                                                 প্রধান কার্যালয়, ঢাকা।

সম্পাদক
দৈনিক ইত্তেফাক
৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫।     

                                                   দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                    প্রধান কার্যালয়
                                                       ঢাকা

স্মারক নং-জনসংযোগ/                                                       তারিখ: ২৫/ ০৮/২০১৪ খ্রিঃ

বিষয় ঃ     প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ।

    আপনার বহুল প্রচারিত ইনকিলাব পত্রিকায় ২৮/০৮/২০১৪ খ্রিঃ তারিখের বর্ষ-২৯, সংখ্যা-৭৯ এর ১৬ পাতায় “আসামিদের আড়াল করে সাক্ষীদের নামে মামলা” শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রকৃত আসামিদের আড়াল করে সাক্ষীদের নামে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুইজন কমিশনারের আপত্তি সত্ত্বেও চেয়ারম্যান নিজ ক্ষমতাবলে এই মামলার অনুমোদন দিয়েছেন বলে দুদকের একটি সূত্র জানিয়েছে। নাম না প্রকাশের শর্তে দুদকের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, ওই অনুসন্ধানের নথিতে বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্তের মহাপরিচালক মো: সালাহউদ্দিন এবং অনুসন্ধান কমিশনার মো: নাসিরউদ্দিন পুনঃ অনুসন্ধানের বিষয়টি নিজ হাতে লিখে দিলেও চেয়ারম্যান মো: বদিউজ্জামান তা কেটে দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চেয়ারম্যানের এ ঘটনার সত্যতা জানিয়েছেন দুদকের উপস্থিত কর্মকর্তারাই। কোনও রকম বৈঠক বা অন্য কমিশনানদের সঙ্গে আলোচনাও করেননি চেয়ারম্যান। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ট্রেড সেন্টার মার্কেটের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আহসান ও দুদকের চেয়ারম্যান বদিউজ্জামান উভয়ের বাড়ি নোয়াখালীর লক্ষীপুরে। নাজমুল আহসানকে প্রায়ই দুদকের চেয়ারম্যানের ভাইয়ের পল্টন অফিসে যেতে দেখেন, তারই মার্কেট কমিটির সদস্যরা।

কমিশনের বক্তব্য ঃ প্রতিবেদনের এই অংশটুকু সম্পূর্ণ অসত্য, কল্পনা প্রসূত, ভিত্তিহীন ও প্রতিবেদকের মনগড়া। কমিশনের যে কোনো সিদ্ধান্ত কমিশনের সভায় গৃহীত হয়। এক্ষেত্রেও কোনরুপ ব্যত্যয় ঘটেনি। তাছাড়া মাননীয় কমিশনার কর্তৃক লিখিত কোন মতামত মাননীয় চেয়ারম্যান কখনও কেটে দিয়েছেন এমন একটি নজিরও দুর্নীতি দমন কমিশনে নেই।

ট্রেড সেন্টার মার্কেটের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আহসানের সাথে কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যানের কোনরুপ পরিচয় নেই। কমিশন মনে করে আপনার পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনটি প্রতিবেদক অসৎ উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করেছেন।

    কমিশনের এই প্রতিবাদলিপি যথাযথ গুরুত্বের সাথে আপনার প্রকাশিত পত্রিকার পরবর্তী সংখ্যায় প্রকাশের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

                                                                                   (প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য)
                                                                         উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা
                                                                                   দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                                                   প্রধান কার্যালয়, ঢাকা।

সম্পাদক
দৈনিক ইনকিলাব
২/১, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩।   

                                                        দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                          প্রধান কার্যালয়
                                                             ঢাকা

স্মারক নং-জনসংযোগ/                                                          তারিখ : ০৬/ ০৭/২০১৪ খ্রিঃ

বিষয় ঃ     প্রকাশিত “সম্পাদকীয়” এর প্রতিবাদ।

    আপনার বহুল প্রচারিত সংবাদ পত্রিকায় ০২/০৭/২০১৪ খ্রিঃ তারিখের বর্ষ-৬৪, সংখ্যা-৪৫ এর ৬ষ্ঠ পাতায় “এই দুদকের প্রয়োজন কি-দুর্নীতিবাজদের রক্ষাই দুদকের কাজ” শিরোনামে প্রকাশিত সম্পাদকীয়টি কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। সম্পাদকীয়তে উল্লেখ করা হয়েছে, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সাবেক মহাব্যবস্থাপক (বরখাস্ত) জিএম ইউসুফ আলী মৃধাকে বাদ দিয়ে রেলে নিয়োগ দুর্নীতির দুই মামলার চার্জশীট দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। চট্টগ্রাম আদালতে গত রোববার চার্জশীট জমা দেন দুদক কর্মকর্তারা। মামলায় জিএম ইউসুফের নাম থাকলেও চার্জশীট থেকে তার নাম বাদ দেয়া হয়েছে। বাদ দেয়ার কারণ হিসেবে দুদকের তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জিএম ইউসুফের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যপ্রমাণ কিছু পাওয়া যায়নি। আগামী ২৭ আগষ্ট চার্জশিট গ্রহণের বিষয়ে শুনানীর দিন ধার্য করা হয়েছে।
জিএম ইউসুফ মৃধা ২০১২ সালের ৯ এপ্রিল তৎকালীন রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের বাসায় যাওয়ার সময় টাকার বস্তাসহ আটক হন। এ ঘটনার জের ধরে তৎকালীন রেলমন্ত্রী পদত্যাগও করেন। জিএম ইউসুফকে তার পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়। টাকার বস্তাসহ আটক হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুদক একাধিক মামলা দায়ের করে। সেসব মামলায় জিএম ইউসুফ গ্রেফতারও হন। মামলার তদন্ত করে এখন দুদক বলছে, তার বিরুদ্ধে সাক্ষপ্রমাণ পাওয়া যায়নি নাকি দুদক সাক্ষ্যপ্রমাণ পেতে চায়নি- তা নিয়ে মানুষের মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কারণ অতীতে দেখা গেছে, দিবালোকের মোত স্পষ্ট অপরাধারেও তথ্য প্রমাণ খুঁজে পায় না দুদক। রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানাকে বাদ দিয়ে দুদক সম্প্রতি মামলা করার অনুমোদন দেয়।
দুদকের কাজ হচ্ছে দুর্নীতিগ্রস্তদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া। কিন্তু বর্তমান দুদককে দেখে মনে হচ্ছে দুর্নীতিবাজদের রক্ষা করার মিশন নিয়ে কাজ করছে। দিবালোকের মতো স্পষ্ট অনেক বড় বড় দুর্নীতির তদন্ত করে তারা কোন সাক্ষ্যপ্রমাণ খুঁজে পায় না। চার্জশিটে লিখে দেয়া হয় যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যপ্রমাণ মেলেনি কাজেই তাকে অব্যাহিত দেয়া হোক। একটি আইনি প্রক্রিয়াকে হাতিয়ার বানিয়ে চিহ্নিত দুর্নীতিবাজদের রক্ষা করা হচ্ছে কিনা সে প্রশ্ন উঠছে।
 কমিশনের বক্তব্য ঃ প্রকাশিত সম্পাদকীয়টি অসত্য, কল্পনা প্রসূত ও বাস্তবতা বিবর্জিত তথ্যের উপর ভিত্তি করে প্রকাশ করা হয়েছে। রেলের সাবেক মহাব্যবস্থাপক ইউসুফ আলী মৃধার বিরুদ্ধে রেলের বিভিন্ন ক্যাটাগরির নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন মোট ১৩ টি মামলা দায়ের করে। প্রতিটি মামলায় জনাব ইউসুফ আলী মৃধাসহ সংশ্লিষ্টদের আসামী করা হয়। দায়েরকৃত ১৩ টি মামলার মধ্যে ইতোমধ্যে ৭টি মামলায় চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। এর মধ্যে ৫টি মামলায় ইউসুফ আলী মৃধাসহ সংশ্লিষ্টদের অভিযুক্ত করে বিজ্ঞ আদালতে চার্জশিট/অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। এ ৫ টি মামলার বিচার কার্যক্রম বিজ্ঞ আদালতে চলমান রয়েছে এবং আসামী ইউসুফ আলী মৃধা কারাগারে অন্তরীণ আছেন। অপর দুইটি মামলায় ইউসুফ আলী মৃধার বিরুদ্ধে দালিলিক প্রমাণাদি ও পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ না থাকায় তাকে বাদ দিয়ে অন্যান্য আসামীদের অভিযুক্ত করে চার্জশীট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।
    
    রানা প্লাজার ভবন নির্মাণ সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে রানা প্লাজার মালিক আঃ খালেক ও মর্জিনা বেগমসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্যদের বিরুদ্ধে প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। পূর্নাঙ্গ তদন্তে অন্য কারো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাকে মামলায় অভিযুক্ত করার সুযোগ রয়েছে।

এখানে উল্লেখ্য যে, পর্যাপ্ত দালিলিক প্রমাণাদি ও সাক্ষ্য সাবুদ ব্যতিরেকে কমিশন রাগ অনুরাগের বশবর্তী হয়ে কোন ব্যক্তিকে মামলায় অভিযুক্ত বা মামলা হতে অব্যাহতি প্রদান করতে পারে না।

দেশে সংঘটিত  যে সকল দুর্নীতির অভিযোগ কমিশনের গোচরীভূত হয় উহার প্রত্যেকটি অভিযোগ বর্তমান কমিশন অনুসন্ধান করছে। অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে রাজনীতিবিদ, উর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, বিত্তবান ব্যবসায়ী কিংবা প্রখ্যাত পেশাজীবী কাউকেই নূন্যতম ছাড় দেয়নি কমিশন। হলমার্ক, ডেসটিনিসহ বিভিন্ন এম এল এম কোম্পানীর দুর্নীতির বিষয়ে কমিশন কঠোরভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করায়-এ সকল দুর্নীতির সাথে জড়িত সংশ্লিষ্টদের অনেকে এখনও কারান্তরীন রয়েছেন। প্রত্যেককেই বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানো হয়েছে।  এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুধাবন করতে হবে যে কমিশন আইনানুগ প্রক্রিয়া ব্যতিরেকে ধারণার উপর ভিত্তি করে কোন মামলা দায়ের করতে পারেনা। কিংবা মামলা থেকে অব্যাহতি দিতে পারে না। গণমাধ্যম কমিশনের অকৃত্রিম সুহƒদ-এক্ষেত্রে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ/সম্পাদকীয়/উপসম্পাদকীয় প্রকাশ করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হলো।

    কমিশনের এই প্রতিবাদলিপি যথাযথ গুরুত্বের সাথে আপনার প্রকাশিত পত্রিকার পরবর্তী সংখ্যায় প্রকাশের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

                                                                              (প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য)
                                                                       উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা
                                                                              দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                                             প্রধান কার্যালয়, ঢাকা।
সম্পাদক
দৈনিক সংবাদ
৩৬, পুরানা পল্টন, ঢাকা।   

                                                       দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                         প্রধান কার্যালয়
                                                            ঢাকা
স্মারক নং-জনসংযোগ/১৯২১৯(২)                                                তারিখ : ২৫/ ০৬/২০১৪ খ্রিঃ

বিষয়:     প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ।

    আপনার বহুল প্রচারিত বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় ২৫/০৬/২০১৪ খ্রিঃ তারিখের বর্ষ-৫, সংখ্যা-১০০ এর ১ম পাতায় “তবুও বহাল সেই সচিব” শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। প্রতিবেদনের একাংশে উল্লেখ করা হয়েছে রাজউকের প্লট বরাদ্দ নেওয়ার ক্ষেত্রে নানা কেলেঙ্কারির সৃষ্টিকারী সচিব শওকত হোসেনের ব্যাপারে দুদক কমিশনার সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বলেন, “গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকাকালে সচিব শওকত হোসেন অবৈধ সম্পদের লোভ সামলাতে পারেননি। রাজউকের প্লট নেওয়ার আবেদনে এই শওকত হোসেন তার হলফনামায় সুষ্পষ্টভাবে মিথ্যা ঘোষণা দিয়েছেন। রাজধানীতে তার প্লট-ফ্ল্যাটের ছড়াছড়ি থাকা সত্ত্বেও হলফনামায় নিজের কোনো প্লট বা ফ্ল্যাট নেই বলে দাবি করেছেন। দুদক কমিশনার সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বলেন, ‘তিনি (শওকত হোসেন) আসলেই জঘন্যতম প্রতারক।”

কমিশনের বক্তব্য ঃ প্রতিবেদকের সাথে কমিশনের মাননীয় কমিশনার মো: সাহাবুদ্দিন চুপ্পু’র সরাসরি বা টেলিফোনে কোন কথা হয়নি। তাই কমিশনার মহোদয়কে উদ্ধৃতি করে যে বক্তব্য ছাপা হয়েছে তা মিথ্যা, ভিত্তিহীন, কল্পনা প্রসূত এবং প্রতিবেদকের মনগড়া। এ বক্তব্যের দায়-দায়িত্ব সম্পূর্ণরুপে প্রতিবেদকের ওপর বর্তায়। ।

    কমিশনের এই প্রতিবাদলিপি যথাযথ গুরুত্বের সাথে আপনার প্রকাশিত পত্রিকার পরবর্তী সংখ্যায় প্রকাশের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

                                                                                 (প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য)
                                                                         উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা
                                                                                  দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                                                 প্রধান কার্যালয়, ঢাকা।

সম্পাদক
বাংলাদেশ প্রতিদিন
প্লট নং-৩৭১/এ, ব্লক-ডি
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা
বারিধারা, ঢাকা।   

                                                  দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                   প্রধান কার্যালয়
                                                       ঢাকা

স্মারক নং-    জনসংযোগ/                                                   তারিখ : ২৩/ ০৬/২০১৪ খ্রিঃ

বিষয়:     প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা।

    আপনার বহুল প্রচারিত দৈনিক সমকাল পত্রিকায় ২৩/০৬/২০১৪ খ্রিঃ তারিখের বর্ষ-১০, সংখ্যা-৯২ এর ২০ নং পাতায় “চার্জশীট দেওয়া হচ্ছে মৃধাকে বাদ দিয়েই ” শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে “বস্তাভর্তি টাকা উদ্ধারের ঘটনায় গুডস সহকারী নিয়োগ দুর্নীতির মামলা থেকে রেলের আলোচিত সাবেক মহাব্যবস্থাপক ইউসুফ আলী মৃধাকে বাদ দিয়ে চার্জশীট চুড়ান্ত করেছে দুদক।”
 কমিশনের বক্তব্য ঃ রেলের নিয়োগ দৃর্নীতি সংক্রান্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন মোট ১৩ টি মামলা দায়ের করে। প্রতিটি মামলাই রেলের সাবেক মহাব্যবস্থাপক ইউসুফ আলী মৃধা আসামী। দায়েরকৃত ১৩ টি মামলার মধ্যে ইতোমধ্যে ৫টি মামলায় ইউসুফ আলী মৃধাসহ সংশ্লিষ্টদের অভিযুক্ত করে বিজ্ঞ আদালতে চার্জশীট/অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। এ ৫ টি মামলার বিচার কার্যক্রম বিজ্ঞ আদালতে চলমান রয়েছে এবং আসামী ইউসুফ আলী মৃধা কারাগারে অন্তরীণ আছেন। অপর দুইটি মামলায় ইউসুফ আলী মৃধার বিরুদ্ধে দালিলিক প্রমানাদি ও পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ না থাকায় তাকে বাদ দিয়ে অন্যান্য আসামীদের অভিযুক্ত করে চার্জশীট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।
    এখানে উল্লেখ্য যে, পর্যাপ্ত দালিলিক প্রমানাদি ও সাক্ষ্য সাবুদ ব্যতিরেকে কমিশন রাগ অনুরাগের বশবর্তী হয়ে কোন ব্যক্তিকে মামলায় অভিযুক্ত বা মামলা হতে অব্যাহিত প্রদান করতে পারে না। এ বিষয়ে গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করা হলো।
    এছাড়া প্রতিবেদনের অপর অংশে উল্লেখ করা হয়েছে, “ গত ৯ জুন ঢাকায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক (তদন্ত) মো: সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ চার্জশীট অনুমোদন দেওয়া হয়।”

কমিশনের বক্তব্য ঃ  ৯ জুন এ বিষয়ে কমিশনের কোন সভা অনুষ্ঠিত হয়নি। তাই কমিশনের মাননীয় কমিশনার মো: সাহাবুদ্দিন চুপ্পু এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় রেলের গুডস সহকারী নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় চার্জশীট থেকে রেলের আলোচিত মহাব্যবস্থাপক ইউসুফ আলী মৃধাকে বাদ দিয়ে চার্জশীটের সিদ্ধান্ত অনুমোদন সংক্রান্ত প্রতিবেদনের অংশটুকু সম্পুর্ন অসত্য ও কল্পনা প্রসূত।

প্রতৃক সত্য হচ্ছে যে, এ বিষয়ে বিগত ১৯/০৫/২০১৪ ইং তারিখে কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উভয় কমিশনার যথাক্রমে মো: সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ও ড. নাসিরউদ্দীন আহমেদ এর উপস্থিতিতে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এখানে উল্লেখ্য যে, পদাধিকার বলে কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যানই কমিশন সভায় সভাপতিত্ব করেন এবং কমিশনের সকল সিদ্ধান্ত  সভায় গৃহীত হয়। এক্ষেত্রেও এর ব্যত্যয় ঘটেনি।

    এছাড়া প্রতিবেদনে কমিশনের মাননীয় কমিশনার মো: সাহাবুদ্দিন চুপ্পকে পরিচালক(তদন্ত) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে তার ব্যক্তিগত ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়েছে।

    প্রকাশিত সংবাদের সমান গুরুত্ব দিয়ে কমিশন কর্তৃক প্রেরিত প্রতিবাদলিপিটি পরবর্তী সংখ্যায় একই স্থানে প্রকাশের জন্য বিনীত অনুরোধ করা হলো।

                                                                             (প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য)
                                                                              জনসংযোগ কর্মকর্তা
                                                                             দুর্নীতি দমন কমিশন
                                                                            প্রধান কার্যালয়, ঢাকা।

প্রতি,
      সম্পাদক
      দৈনিক সমকাল
      ১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা
      ঢাকা-১২০৮।