জনশিক্ষা কার্যক্রম

.

Share/Save

দুর্নীতি প্রতিরোধ ও শিক্ষা সংক্রান্ত নীতিসমূহঃ

দুর্নীতির উৎসে যাওয়া: দুদক প্রধান সামাজিক মিথষ্ক্রিয়ার ক্ষেত্র সরকারি কর্মকর্তা-নাগরিকদের মধ্যকার সম্পর্ক চিহ্নিত করেছে, যেখানে দুর্নীতির যেমন ব্যাপক বিস্তার, তেমনি নাগরিকদের ক্ষমতায়ন করার সম্ভাবনাও উঁচু। এই নীতিমালার উপর ভিত্তি করে পরিচালিত প্রচারণায় দুই-ধরণের কার্যক্রম চালানো হবে, যার বার্তা অপরাধ সংঘটনকারী ও অপরাধের শিকার উভয়ের কাছেই পৌঁছবে। দুর্নীতি উৎসে যাওয়ার প্রচারণাটি দুর্নীতিবাজদেরকে দুর্নীতির নেতিবাচক পরিণতি সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দেবে, এবং একইসাথে দুর্নীতির “শিকার” ব্যক্তিদের এই মর্মে সচেতন ও সাহসী করবে যে, কেন এবং কিভাবে দুর্নীতি সম্পর্কে অভিযোগ জানাতে হবে। উদ্দিষ্ট বার্তাসমূহ ও প্রচারণার নিমিত্ত সজ্জিত যানবাহন দুর্নীতির উৎসস্থলসমূহে প্রতিদিন উল্লেখ্যযোগ্য সংখ্যক ব্যক্তির নিকট পৌঁছে দেবে।

এটিকে ব্যক্তিগত আবেদনের আকারে তুলে ধরা: সব ধরণের প্রচারণাতে যোগাযোগ বার্তাগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ও আবেদন সৃষ্টিকারী বার্তাগুলোকে আলাদা করা হবে, যাতে করে দুর্নীতি কিভাবে মানুষের প্রাত্যহিক জীবনযাত্রাকে প্রভাবিত করে সেটি কোন উদ্দিষ্ট গ্রুপের, যেমন-গ্রামবাসী, সরকারি সেবাগ্রহীতা, নাগরিকগণ প্রভৃতির উদ্দেশ্যে সরাসরি তুলে ধরা হবে। মানুষের নৈমিত্তিক জীবন-যাপনে দুর্নীতির অত্যন্ত ক্ষতিকর প্রভাবগুলো তুলে ধরা হবে যেগুলো প্রায়শই অপ্রকাশিত থাকে।

সর্বজনীন বার্তা দুর্নীতি সম্পর্কে অভিযোগ করা: দুর্নীতি সম্পর্কে অভিযোগকরণ প্রক্রিয়া সঙ্গতিপূর্ণভাবে সহজ ও নিরাপদ করে তোলা হবে। কিভাবে ও কোথায় দুর্নীতি সম্পর্কে অভিযোগ করতে হবে এবং যারা অভিযোগ করবে তাদের সুরক্ষা সম্পর্কে সকল তথ্য ও পদ্ধতি একটি বার্তায় থাকবে।

সর্বোচ্চ প্রচারণা ও ব্যয় সাশ্রয়ের অগ্রাধিকার নির্ধারণ: কোন কার্যসম্পাদনের ক্ষেত্রে সচেতনতা একটি পূর্বশর্ত। বেশিরভাগ লোক দুর্নীতি দমন প্রচেষ্টা সম্পর্কে সচেতন না হওয়ায়, যোগাযোগ কার্যক্রমের মাধ্যমে উচ্চ-মানসম্পন্ন বার্তা প্রদানে সর্বোচ্চ প্রচারের বিষয়টি অগ্রাধিকার প্রদান করা হবে। আমরা ব্যয়-সাশ্রয়ী পদক্ষেপকে অগ্রাধিকার দেবো (যেমন-প্রতি ব্যক্তির নিকট বার্তা পৌঁছাতে তুলনামূলক কম খরচ করা) এবং যার সুনির্দিষ্ট একটি লক্ষ্য থাকবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে, যেমন-সরকারি দপ্তরগুলোর জন্য দুদক এর প্রতিরোধ শাখা-কর্তৃক আয়োজিত প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের নিমিত্ত, ব্যক্তি-প্রতি খরচ যৌক্তিকভাবেই বেশি হবে; কিন্তু, আগামী পাঁচ বছরের জন্য সার্বিক লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে প্রচারকদের লক্ষ্যস্থিত ব্যক্তিদের সংখ্যা বাড়ানো।

অংশীদারত্বের যথাযথ ব্যবহার করা: লক্ষ্য অর্জনে এবং জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে ও সুনির্দিষ্ট, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রণীত বার্তার মাধ্যমে উদ্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর নিকট পৌঁছাতে যেখানেই সম্ভব গণমাধ্যম, নাগরিক সমাজ, ধর্মীয় গোষ্ঠী, ও অন্যান্য সরকারি সংস্থাসমূহের সাথে অংশীদারত্বকে কৌশলগতভাবে ব্যবহার করা হবে।